Wednesday, 18 July 2018

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান ৩৪৬ তাং ১৮/ ০৭/ ২০১৮


     বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(৩৪৬) তারিখঃ—১৮/ ০৭/ ২০১৮                       আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ-- [ বেদযজ্ঞ করে সত্যজ্ঞান লাভ কর, জ্ঞানীর মধ্যেই কেবল সত্যের প্রকাশ হয়]
সত্যের প্রকাশ ঘটে জ্ঞানীর অন্তরে। সত্যকে জানতে গেলে অবশ্যই জ্ঞানী হতে হবে। সৎ পথে চলে সত্যের সাধনা যে করে সেই ব্যক্তিই জ্ঞানী হয়ে উঠে। জ্ঞানের সাধনা আর সত্যকে জানার গবেষণা করার মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বব্রহ্মান্ড। কিন্তূ মানুষ সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েও সত্যকে কেন জানতে পারে না? সত্যকে না জানতে পারার কারণ, মানুষের শত্রু। এই শত্রু মানুষের অন্তরে শয়তান রূপে ছদ্মবেশে কাজ করছে। যতক্ষন পর্যন্ত মানুষ শয়তানকে দমন করতে না পারে, ততক্ষন পর্যন্ত মানুষ নিজেকে মানুষরূপে জানতে পারে না। নিজেকে মানুষরূপে জানতে না পারলে নিজের দিব্য স্বরূপের প্রতি মানুষের জ্বলন্ত বিশ্বাস আসে না। মানুষের অন্তরে দিব্য শক্তির জাগরণ না ঘটলে মানুষ ঈশ্বরকে নিজের ছায়াসঙ্গী রূপে দেখতে পায় না। মানুষ ঈশ্বরকে ছায়াসঙ্গী রূপে না পেলে কে তাঁর অন্তরে জ্ঞানের বাতি জ্বালাবে? আর জ্ঞানের বাতি অন্তরে না জ্বললে কোনও মানুষ সত্যকে উপলব্ধি করতে পারে না। সত্যকে উপলব্ধি করার সাথে সাথে  মানুষ ঈশ্বরের জ্ঞাব-বিজ্ঞানের ঘরের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। তখন  মানুষের অন্তরে সত্য জ্ঞানের প্রকাশ-বিকাশ ঘটে। এই সত্য কেবল জ্ঞানীর অন্তরে প্রকাশিত হয়। সেই জ্ঞানীর নিকট থেকে সাধারণ মানুষ সত্য বার্তা লাভ করে থাকে। মানব সমাজে এই জ্ঞানীরাই হচ্ছে মানুষের পথ প্রদর্শক। পৃথিবীর বুকে হাজার হাজার পথ প্রদর্শক এসেছেন। কেউ কিন্তূ নুতন কোনও কথা বলে যান নি। সকলেই একই পথের নিশানা দিয়ে গেছেন। একই জ্ঞান-বিজ্ঞানের ঘর থেকে সত্য উপকরণ সংগ্রহ করে মানুষের জন্য প্রদান করেছেন। দেশ-কাল-পাত্র রুপে সেগুলি বিভিন্ন রূপ নিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষ যাতে প্রকৃত সত্য না জানতে পারে তার জন্য শয়তানদের  সংগ্রাম চিরকাল অব্যাহত আছে পৃথিবীর বুকে। এই জ্ঞানীরা পৃথিবীর বুকে এসে মানুষকে সাবধান বাণী শুনিয়ে যান ও সত্যের পথ দেখিয়ে যান। তাঁরা আসেন তাই এখনো পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে, নইলে শয়তানে পূর্ণ হয়ে যেতো এই পৃথিবী। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযানের জয় ।

No comments:

Post a Comment