বিশ্বমানব
শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(৩৪৭) তারিখঃ—১৯/ ০৭/ ২০১৮
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ-- [ বেদ যজ্ঞ
না করলে কেউ সত্য- মিথ্যা বিচার করার শক্তি লাভ করতে পারে না।]
যদি
মানুষ সত্যকে ধারণ করার জন্যে সংগ্রাম না করে তবে মিথ্যা- মায়া মোহ থেকে নিজেকে
মুক্ত রাখতে পারে না। মানুষ মাত্রই সত্য গুণের আধার। যদি সে এই সত্য না জানে তবে
তার জীবন ধারণ করে রাখায় বৃথা হয়ে যায়। বিশ্বের জনক এর সাথে সবার আত্মা যুক্ত।
বিশ্বের জনক সত্যের প্রতীক। এই সত্যের প্রতীককে যারা অন্তরে ধারণ করে রাখে তাদের সত্য- মিথ্যার বিচার করে মিথ্যাকে বাতিল করতে মুহূর্ত মাত্র সময় লাগে না।
বিশ্বের জনক যিনি- তিনি সর্ব সার হতে সার হয়ে সর্ব জীবে সমভাবে বিরাজ করেন। তাঁর
কাছে উচ্চ নীচ ভেদাভেদ স্থান পায় না – সমভাবে তিনি সবার উপর তাঁর দয়া বর্ষণ করে
চলেছেন। তাঁর কাছে পক্ষপাতজনিত দোষ অবিচার বলে ঘোষিত হয় এবং তাদের প্রতি শোক- তাপ
স্বাভাবিকভাবে ছুটে চলে তাদের জীবনকে ভয়াবহ করে তোলে। যারা কেবল নিজেকে বিশ্বপিতার
সন্তান জেনে বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে তাঁর আশ্রয়ে থেকে জীবন অতিবাহিত করে
তারাই ধন্য। এই অমৃতের সন্তানরা সকলেই তাঁর জ্ঞান- বিজ্ঞানের ঘরের তথা বিশ্বমানব
শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী। তাঁরা সকলেই চন্দ্র সূর্য সম উজ্জ্বল হয়ে সত্যের
উপর দাঁড়িয়ে কেবল সবার মঙ্গলের জন্যে বেদ যজ্ঞ করে চলেন নীরবে তাঁর আশ্রয়ে থেকে।
পার্থিব জগতের যত ধর্মীয় বাণ আছে, তাদের উপর যত রথী- মহারথী আছেন তাঁরা একত্রে
তাঁদের শক্তিশালী বাণ নিক্ষেপ করলেও তা প্রফুল্ল অন্তরে এই বিশ্বমানব শিক্ষার
কর্মীরা অবহেলে গিলে ফেলেন। যারাই বেদ যজ্ঞ করেন তারাই বিশ্বপিতার নিকট থেকে এই
জ্ঞান ত্রিশূল লাভ করে ধন্য হন। ওঁ সত্যম শিবম সুন্দরম ওঁ নমঃ শিবায়।

No comments:
Post a Comment