বেদযজ্ঞ সম্মেলনঃ—১১/ ০৭/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা*
মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদযজ্ঞ করে নিজেকে বিশালরূপে দেখতে শিখো ও নিজেকে
বিশ্ববাসী- বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মীরূপে ভাবতে থাকো, তাহলেই সমস্ত সংকীর্ণতা
সীমাবদ্ধতা দূর হয়ে যাবে।]
বেদের শিক্ষা নিজেকে যত ছোট করে দেখবে, ততই
দুঃখে ডুবতে থাকবে। যত বড় করে জানবে, ততই দুঃখের মাত্রা কমে গিয়ে সুখের উদয় হবে।
আমরা স্বরূপতঃ বড়ই আছি, কিন্তু চেতনায় সজাগ নই। নিজেকে বড় করে জানার উপায় বড়র
সঙ্গে যুক্ত হওয়া। তুমি যত বড়র সঙ্গে যুক্ত হবে তত বড় হবে।
যিনি সর্বাধিক বড়,-- বৃহত্তম, তিনি ভূমা।
ভূমার সঙ্গে যুক্ত হলেই ভূমা হবে। ভূমাই সুখের নিলয়, ভূমাতেই দুঃখের নিবৃত্তি।
সুতরাং দুঃখী জীবের জানার বস্তু—জিজ্ঞাসা করবার বিষয় শুধু ভূমা। তাই বিশ্বমানব
শিক্ষার কর্মী হয়ে বিশ্ববোধে জাগ্রত হও এবং বেদভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপে নিজেকে
দেখতে থাকো, নিজেকে বিশ্বরূপের অংশরূপে জানতে থাকো।
ভূমার অপর নাম ব্রহ্ম। বৃহত্ত্বাদ ব্রহ্ম।
যিনি সবচেয়ে বড়, যার বৃহত্ত্ব সর্বাতিশায়ী, তিনি ব্রহ্ম। শুধু তাতেই নয়, ব্রহ্ম
শুধু বড়ই নহেন। তিনি অপরকেও বড় করেন। যিনি অপরকে বড় করতে পারেন না তিনি কখনো নিজে
বড় হতে পারেন না। বৃংহণত্বাদ ব্রহ্ম। যিনি ব্রহ্মের সংস্পর্শে আসেন, তিনিও বড় হয়ে
যান। ব্রহ্মের কথা বললে, ভাবলে, ধ্যান করলে, অনুধাবন করলে মানুষ বড় হয়ে যায়, তখন
নিজেকে ভগবানের বিশ্বরূপে বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মীরূপে দেখতে পায়। এই বিশালত্ব
মানুষের সব দুঃখের নাশ করে। জয় বেদভগবান শ্রীকৃষ্ণের জয়।

No comments:
Post a Comment