Saturday, 12 August 2017

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান ১৪ তাং ১২--০৮--২০১৭

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযানঃ(১৪) তারিখঃ- ১২/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ- ঘোড়শালা* মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ গীতার আঠারোটি অধ্যায়ের প্রতিটি মন্ত্রই হচ্ছে বিশ্বমানব শিক্ষা যোগ বা যজ্ঞ, তেমনি মহাভারতের আঠারো পর্ব্বই হচ্ছে ভারতাত্মার সাথে যোগসূত্র রক্ষা করার যোগ বা যজ্ঞ। এই বিশাল পবিত্র কর্ম্মযজ্ঞকে চিরকাল পণ্ড করার জন্য আসুরিক শক্তির আঠারোটি দল একজোট হয় এবং পবিত্র সনাতন ধর্ম্মের উপর আক্রমণ হানে, অবশেষে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এই ভারতের পবিত্র মাটি থেকে।]
ভারতের মাটি থেকে যারা আধ্যাত্মিক শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য সঙ্ঘবদ্ধ হন, তাঁরা সকলেই আসুরিক শক্তিবলে বলীয়মান হয়ে বেদযজ্ঞকে পণ্ড করার জন্য মানুষকে আহ্বান জানান মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করে। অপর একটি দল ভারতের আধ্যাত্মিক মাটিকে রক্ষা করার জন্য গীতা- মহাভারতের মাধ্যমে ঈশ্বরের আশ্রয়ে থেকে মানুষকে সৎ ও কল্যাণের পথে আহ্বান জানান, কোনোরকম অহংকারের আশ্রয় না নিয়ে। সর্ব্বময় বাসুদেবের দর্শনই হচ্ছে বেদজ্ঞান। বিশ্বের যা কিছু সকলই বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ। বিশ্বের উপাদান- কারণ, নিমিত্ত –কারণ সবই যখন তিনি, তখন তিনি ছাড়া অনন্ত বিশ্বের আর কিছুই নাই—এই পরম সত্য ভাবনা করতে করতে ভারতের মুনি- ঋষিরা জ্ঞানযজ্ঞ – পরায়ণ হয়ে ভারতের মাটিকে বিশ্বমানবের পবিত্র তীর্থস্থান করে রাখতেন। সত্য- ত্যাগ ও সেবার দ্বারা ভারতের জনগণকে একসুত্রে গেঁথে রাখার কৌশল লাভ করতেন মুনি ঋষিদের কাছে রাজা ও রাজ পারিষদগণ। সেই সময়ও সেইসব রাজার যজ্ঞ পণ্ড করার জন্য আসুরিক শক্তির দল সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে রাজাকে মিথ্যা শেল দিয়ে আক্রমণ করতেন। বর্তমান ভারতের মাটিতে ভোগবাদী আসুরিক শক্তি জেগে উঠেছে, ভারতের ধর্ম্মকে ধ্বংস করার জন্য। ভারতীর সন্তানেরা যদি এখনো জেগে না উঠে তবে আসুরিক শক্তির আঠারোটি দল একজোট হয়ে ভারতের ধর্ম্মকে ও ভারতবর্ষকে ধ্বংসের অভিমুখে পুনঃ ঠেলে দিবে। গীতার আঠারো অধ্যায় ও মহাভারতের আঠারো পর্ব্ব এই অশুভ আঁতাতের বার্তা বহন করে চলেছেন। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় বেদমাতা, ভারতমাতা ও বিশ্বমাতার জয়।

No comments:

Post a Comment