[ গীতাতে ভগবান
বলেছেন—নিখিল বিশ্বের কারণ আমি। ইহা জেনে আমাকে ভজনা কর। এই তোমার সামনেই দাঁড়ানো
যে আমি, সেই আমাকে। প্রাপ্তির পথে বহু বাধা, কিছুতেই জীবন থেকে এই অন্তরায় যেতে
চায় না, এই ভয়ে ভীত হচ্ছো কেনো? মনে এতো খেদ কেনো? সকল বাধার বিনাশ ঘটবে, সমস্ত
অশুভের পরিসমাপ্তি ঘটবে, গীতার সংবিধান মেনে কর্ম্ম করে গেলে। আজকে রাজবিদ্যা-
রাজগুহ্যযোগঃ অধ্যায়ের ২১ থেকে ২৫ শ্লোক সকলের পাঠের জন্য প্রদত্ত হল।]
২১) তাঁরা সেই
বিপুল স্বর্গসুখ ভোগ করে পুণ্যক্ষয় হলে পুনরায় মর্ত্ত্যলোকে প্রবেশ করেন। এইরূপে
উক্ত কামনাপরবশ ব্যক্তিগণ যাগযজ্ঞাদি বেদবিহিত ধর্ম্ম অনুষ্ঠান করে পুনঃপুনঃ
সংসারে গমনাগমন করে থাকে।
২২) অনন্যচিত্ত
হয়ে আমার চিন্তা করতে করতে যে সকল ভক্ত আমার উপাসনা করেন, নিত্যকাল আমাতে যুক্ত
সেই সকল ভক্তের প্রয়োজনীয় অলব্ধ বস্তুর সংস্থান এবং লব্ধ বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণ আমিই
করে থাকি।
২৩) যারা
শ্রদ্ধাসহকারে অন্য দেবতার আরাধনা করেন, হে কৌন্তেয়, সেই সকল ভক্তও আমারই উপাসনা
করেন। তবে ইহা শ্রেষ্ঠ বিধি নহে।
২৪) আমিই সর্ব্ব
যজ্ঞের ভোক্তা ও প্রভু। আমাকে ভাল করে না জানার ফলে তারা উচ্চগতি থেকে বিচ্যুত হয়।
২৫) দেবপূজকগণ
দেবলোকে গিয়ে স্বর্গ ভোগাদি প্রাপ্ত হন, পিতৃপূজকগণ পিতৃগণকে পান, যারা যক্ষ রক্ষ
প্রভৃতি ভূতগণকে পূজা করেন তাঁরা ভূতলোক পেয়ে থাকেন, কিন্তু যারা আমাকে পূজা করেন
তাঁরা আমাকেই লাভ করেন।
[ জয় শ্রীভগবান
শ্রীকৃষ্ণের শ্রীশ্রীগীতা মায়ের জয়।]

No comments:
Post a Comment