বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(১২৯)
তারিখঃ—০৫/ ১২/ ২০১৭
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ-- [ বেদ যজ্ঞ করে সকলকে আপন চেতনার রঙে রাঙিয়ে তোলো।]
এই পৃথিবীটা সবার জন্যই একটা রঙ্গমঞ্চ। তাই এই রঙ্গমঞ্চে খেলবো হোলি রঙ দিবো না তাই কি কখনো হয়? আমরা এই
পৃথিবীর বুকে এসেছি সবায় হোলি খেলার জন্যে অর্থাৎ নিজ নিজ চেতনার রঙে অপরকে রাঙিয়ে
তুলে তার সাথে এক হয়ে যাবার জন্যে। এই প্রেমের হোলি খেলা না খেললে - চেতনাকে
জাগ্রত করে নিজের রূপ কোন রঙে রঙ্গিত হয়ে আছে জানবে কেমন করে? আমরা এই পৃথিবীর
বুকে সবায় নিজ নিজ চেতনার রঙে রঙ্গিত হয়ে আছি কিন্তু সেই চেতনাকে প্রাণবন্ত করে
হোলি উৎসবে মেতে উঠে তাকে কাজে লাগাতে শিখে নি। যদি কাজে লাগাতে পারতাম তবে আমাদের
কাছে কেউ আপন পর থাকতো না। আমরা সবায় এক প্রেমের জগতে বাস করতাম ও হোলি উৎসবে মেতে
থেকে আনন্দলোকে অবস্থান করে মহাসত্যকে জানতে পারতাম। সকলের অন্তর জ্ঞানের আলোর
সুন্দর রঙে উজ্জ্বল হয়ে থাকতো এই পৃথিবীর বুকে।গোপ গোপিনীরা স্বয়ং ঈশ্বরের সাথে
হোলি খেলে নিজেদেরকে তাঁর রঙে রাঙিয়ে নিয়ে তাঁর চেতনার সাথে এক হয়ে
থাকেন। এই হোলি অর্থাৎ প্রেমের উৎসব চলতো তাঁদের
সাথে শ্রীকৃষ্ণ ভগবানের যুগযুগ ধরে। দোলযাত্রার গুরুত্ব বুঝে এখনো যারা ঈশ্বরের
চেতনার রঙে নিজেদের রাঙিয়ে তুলে-- তারাই তো তাঁর সাথে এক হয়ে থেকে এক ঈশ্বর ছাড়া
কাউকে দেখতে পান না। ঈশ্বরের রঙ সবথেকে উৎকৃষ্ট রঙ এবং সেই রঙ সবগুণে পরিপূর্ণ। সেই রঙেই
রাঙিয়ে তিনি আমাদের সৃষ্টি করে চলেছেন তাঁর সাথে হোলি খেলার জন্যে। এই প্রেমের
হোলি খেলার গুরুত্ব সনাতন ধর্মের ধারায় যুগ যুগ ধরে চলে আসছে মানব জাতিকে ঈশ্বরের
চেতনার সাথে এক করে তোলার জন্যে। আজকে আসুন আমরা সবায় বেদ যজ্ঞে অংশ গ্রহণ করে
বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে বিশ্ববাসীকে ঈশ্বরের চেতনার রঙে রাঙিয়ে তুলে প্রেমের
আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠি। জয় রাধাকৃষ্ণ
নাম কেবলম।

No comments:
Post a Comment