বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ
অভিযান(১৩৩) তাং ০৯/ ১২/ ২০১৭
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[
বেদ যজ্ঞভগবান সাক্ষাৎ সনাতন পুরুষ, এঁকে কাল তার সীমার মধ্যে বাঁধতে পারে না এবং
বেদ এঁর বর্ণনা করতে পারে না, বেদ যজ্ঞ করে তাঁরই পুণ্যময় গুণকীর্তন করা ছাড়া
মানুষের দ্বিতীয় কি পথ থাকতে পারে?]
কপট ব্যক্তিরা বেদ যজ্ঞ সম্মেলনে বা অভিযানে কখনোই যোগ দিয়ে ভগবানের চরণ
লাভ করতে পারে না। শুধুমাত্র ভক্তিভাব দিয়েই তাঁর চরণকমল লাভ করা যায়। তিনি নিজ
ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার জন্য যেকোনো রূপ ধারণ করতে পারেন। তিনি কেবল দেবতা,
দৈত্য, দানব, অসুর, রাক্ষস, মানুষের প্রভু নন, তিনি সকলের প্রভু। তাই যে যখন তাঁর
শ্রীচরণে আশ্রয় নেয় সে তখন তাঁর প্রিয় হয় এবং তিনি তাঁর প্রিয়জনের সমস্ত বাসনা
পূর্ণ করেন। নাম ও রূপের মায়ায় জীবের বুদ্ধি মোহিত হয়ে থাকে। সেইজন্য যদিও নানা
দর্শন শাস্ত্রে ভগবানের মহিমার গুণকীর্তন আছে, কিন্তু তাঁর প্রকৃত স্বরূপ জীব
জানতে পারে না। আমরা বেদ ভগবানের আশ্রয়ে থাকলেই তিনি আমাদের স্বার্থ এবং পরমার্থ
এই উভয় বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখেন। তিনিই একমাত্র তত্ত্বজ্ঞ পুরুষ হয়ে সপ্তর্ষিগণকে
চতুর্যুগের অবসানেও ধরে রাখেন এবং তাঁদের তপস্যার প্রভাবে বেদের তত্ত্বকে
পুনর্জীবিত করে তোলেন। সেই বেদের শ্রুতি দিয়েই সনাতন ধর্ম রক্ষিত হয়। জয় বেদ
ভগবানের জয়।

No comments:
Post a Comment