Thursday, 10 August 2017

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান-- ১২

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান-১২ তারিখঃ—১০/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা* জঙ্গীপুর* মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞের মাধ্যমে যাতে মানুষ দৈবী সম্পদ লাভ করতে পারে—এই লক্ষ্যে যদি সমাজের শিক্ষা- দীক্ষার ব্যবস্থা থাকে তাহলেই মানব- সমাজ শান্তিময় হতে পারে।]
 প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নিজেকে বিশ্ববোধে শিক্ষিত করে বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে দৈবীগুণে গুণান্বিত হওয়া। দৈবী সম্পদ লাভের জন্য মনকে প্রস্তুত না করলে কেউ তা লাভ করতে পারে না। তাই প্রত্যেক পিতামাতার সচেষ্ট হওয়া একান্ত প্রয়োজন ঐরূপ দৈবী সম্পদ লাভের জন্য, যাতে তাদের গৃহে সত্ত্বগুণান্বিত সন্তান আসে। বীজ বপনের পূর্ব্ব হতেই ক্ষেত্র তৈরী করার প্রয়োজন—সেইরূপ সন্তানের পিতামাতা হবার অনেক পূর্ব্ব হতেই সুসন্তান লাভের জন্য প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন। ইহারই শাস্ত্রীয় নাম পিতৃঋণ। যে আধ্যাত্মিক ভাবধারা, যে ঋষির ঐতিহ্য আপনি লাভ করেছেন পিতা-মাতার নিকট হতে আপনার সন্তানধারায় তাকে প্রবাহিত করিয়ে দেওয়া আপনার জীবনের এক শ্রেষ্ঠ কর্ত্তব্য। এই কর্ত্তব্য পালন না করলে পিতৃঋণ শোধ হল না। ঋণ শোধ না করা একপ্রকার হীনতা চৌর্য্য। চুরি করলে সেজন্য শাস্তিভোগ করতেই হবে। সংসারে- সমাজে- রাষ্ট্রে অশান্তি দুঃখ এসে মানব জীবন বেদনাময় করে তুলবে। তাই রাষ্ট্রের কর্তাদের উচিত নিজ নিজ রাষ্ট্রের জনগণকে দৈবী সম্পদে সুশিক্ষিত করে তোলা বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের মাধ্যমে, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক জাতীয় জ্ঞান, মানবিক মুল্যবোধ, নৈতিক জ্ঞান ও আত্মিক জ্ঞানের আলোতে আলোকিত হয়ে থাকে। দেশের একজন লোকও যদি এই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তবে, তার দ্বারাতেই সেই দেশ অশিক্ষা- কুশিক্ষাতে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে এবং তাদের অশান্তিতেই দেশে আগুন জ্বলবে। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় ভারতমাতা ও বিশ্বমাতার জয়।

No comments:

Post a Comment