বিশ্বমানব শিক্ষা
ও বেদযজ্ঞ অভিযানঃ(১১) তারিখঃ- ০৯/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা* জঙ্গীপুর*
মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য
বিসয়ঃ—[ সনাতন ধর্ম্ম কর্ম্মের স্তম্ভ, জ্ঞানের স্তম্ভ ও ভক্তির স্তম্ভের উপর
ভিত্তি করে চিরকাল দাঁড়িয়ে আছে, যারা সনাতন পন্থীর ঋষি তাঁরা সকলেই কর্মযোগী,
জ্ঞানযোগী ও ভক্তিযোগী হয়ে বিশ্বমানবকে বেদযজ্ঞের মাধ্যমে মহাসত্যের পথ দেখিয়ে
গেছেন।]
বিশ্বমানব
শিক্ষার কর্ম্মীর কর্ম্মের বহুমুখী প্রয়াস জ্ঞানে গিয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করবে। আবার
জ্ঞান এসে ভক্তিতে পূর্ণতা পেয়ে সার্থক হবে। গিরিসাগর হতে ছোট বড় বহু জলধারা একত্র
হয়ে পবিত্র গঙ্গাধারায় পরিণত হবে। তা ছুটতে ছুটতে সাগরসঙ্গমে গিয়ে পর্যাপ্ত হবে। গুটিপোকা
মহাকর্মী হয়ে রেশম তৈরী করবে। তারপর শান্ত সমাহিত হয়ে নিজ গৃহমধ্যে ধ্যাননিষ্ঠ
জ্ঞানী হবে। তারপর ভক্ত প্রজাপতিরূপে পুর্ণতা পেয়ে লীলার মুক্ত গগনে উড়ে যাবে।
একটি তৈরী করবেন কর্ম্মের স্তম্ভ, আর একটি করবেন জ্ঞানের স্তম্ভ। তারপর ভক্তি
দ্বারা অপূর্ব্ব খিলান তৈরী করে এক মহাসমন্বয়ের তোরণ নির্মাণ করবেন। এই কর্ম্ম,
জ্ঞান ও ভক্তির মহাসম্ন্বয়ের তোরণ বা স্তম্ভটির নাম হচ্ছে সনাতন ধর্ম্ম। যারা এই
স্তম্ভটিকে রক্ষা করে চলেছেন বেদযজ্ঞের মাধ্যমে তাঁরা সকলেই প্রজাপতি ব্রহ্মা বা
বিশ্বমানব শিক্ষার কর্ম্মী। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় ভারতমাতা ও
বিশ্বমাতার জয়। জয় সনাতন ধর্ম্মের জয়।

No comments:
Post a Comment