বিশ্বমানব শিক্ষা
ও বেদযজ্ঞ অভিযানঃ—( ১০) তারিখঃ—০৮/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা* জঙ্গীপুর*
মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য
বিষয়ঃ—[ বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞের স্পর্শ যে লাভ করেছে, তার জীবন যে
কেবল পুণ্যময় হবে তা নয়, শাশ্বত যে শান্তি তার আস্বাদনেও সে নিমগ্ন হয়ে যাবে।]
বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে যাবার সাথে সাথেই
যে কোন মানুষের অন্তরে একটা ঝড় বইতে শুরু করবে। অনেকেই সেই কর্মীকে আগের থেকে বেশী
অসৎ বা অন্যায় কর্মে লিপ্ত থাকতেও দেখতে পারে। যেমন বনে আগুন লাগলে সব জীব জন্তু
নিজের জীবন বাঁচাবার তাগিদে বন থেকে পালায়। তেমনি মানব দেহের মনে- বনে আগুন লেগে
যায় বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞ শুরু করার সাথে সাথে। এতদিন যে সমস্ত
পশুরা তাদের পাশব শক্তি নিয়ে সেই দেহে বাস করছিল এবং তার মন, বুদ্ধি ও অহংকারকে
ঘিরে রাজত্ব করছিল, তারা একসাথে ভয়ে পালাবার জন্য ব্যগ্র হয়ে পড়ে। অগ্নি আসলেই
যেমন সে দগ্ধ করবে, সে দগ্ধ না করে থাকতেই পারবে না—সেইরূপ কেউ বিশ্বমানব শিক্ষার
কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞ শুরু করলেই, তার অন্তরে দাউ দাউ করে বেদযজ্ঞের অগ্নি জ্বলে
উঠবে। এই বেদযজ্ঞের অগ্নি সর্ব্ববিধ ক্লেশ নাশ করবেন এবং সর্ব্ববিধ শুভের উদয়
করাইবেন নিজ শক্তি বলে, সকল অশুভ শক্তিকে নাশ করে। এই বিশ্বমানব শিক্ষার
কর্মী্র সর্ব্ববিধ ক্লেশ জীবন থেকে চলে
যাবার ফলে ধর্ম্মাত্মা হবেন এবং পরম শুভোদয়ে তিনি নিত্য শান্তির অধিকারী হবেন। জয়
বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় ভারতমাতা ও বিশ্বমাতার জয়।

No comments:
Post a Comment