বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযানঃ—(৭)
তারিখঃ—০৫/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ—কল্যাণী* নদীয়া* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বিশ্বমানব শিক্ষার
কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞ করে আধ্যাত্মিক মহা সম্পদ লাভ করে মানব জীবন দেবতার চরণে উৎসর্গ
কর।]
বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হলেই দেহ- মন-
বুদ্ধি সকলই সুস্থ ও স্বস্থ হয়ে যায়। মানুষের দেহ সুস্থ, মন শান্ত ও বুদ্ধি
সম্মার্জিত হলেই বেদযজ্ঞে নিজের জীবন আহুতি দিয়ে আনন্দ পায়। বুদ্ধির নিয়ন্ত্রণে
থাকে ইচ্ছাশক্তি, তখন ইচ্ছা শক্তি সদায় শুভদিকে ছুটে চলে। এই শুভ ইচ্ছা শক্তির
বলেই মানুষ সদায় সৎ কর্মে লিপ্ত থেকে শুভ জ্ঞান লাভ করে। শুভ জ্ঞান হলেই অন্তঃকরণ শুদ্ধ হয়ে যায়।
অন্তঃকরণের যে বৃত্তি সংকল্প করে, সে হল মন। আর যে বৃত্তি বিষয়ের আকার ধারণ করে,
সে হল চিত্ত। বাইরে বাগানে একটি সুন্দর পদ্মফুল দেখে মানুষের অন্তরের মধ্যেও একটি
ফুল ফুটে যায়, ঐ ফুলটি অন্তরে চিত্তবৃত্তির কাজ করেছে। আর সুন্দর ফুলটি দেখে
প্রভুর চরণে এনে দিতে সাধ হচ্ছে, এটি মনোবৃত্তি কাজ। এই সুন্দর মনোবৃত্তি মানুষকে
আধ্যাত্মিক মহা সম্পদ লাভ করতে সহযোগিতা করে। মানুষের মন তখন সঙ্কীর্ণতার গণ্ডী
থেকে বেড়িয়ে ব্যাপ্তির অভিমুখে যাত্রা করে। এই অবস্থায় মানুষের অন্তর- বাহির বা
মন- মুখ এক হয়ে যায়। এই ঈশ্বরমুখী মন ও মুখ মানুষকে প্রেমাবিষ্ট করে সর্বভূতের
মধ্যে নিজের ইষ্ট দেবতাকে এবং নিজেকে সর্বভূতের মধ্যে দেখতে সহায়তা করে। জয় –বিশ্বমানব
শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় ভারতমাতা ও বিশ্বমাতার জয়। হরি ওঁ তৎ সৎ।

No comments:
Post a Comment