Wednesday, 2 August 2017

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান{-- ৪ তাং---- ০২/ ০৮/ ২০১৭

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযানঃ- (৪) তারিখঃ—০২/ ০৮/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা* মুর্শিদাবাদ* পশ্চিমবঙ্গ* ভারত*
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ দৈব সম্পদে ভরপুর হয়ে বেদযজ্ঞ করতে থাকো তবেই আসুরিক সম্পদ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবে, এই ভোগসর্ব্বস্ব কলি যুগে।
ধর্ম্ম বিজ্ঞান- যুক্তি ছাড়া নয়, এই সত্য প্রচারের লোকের খুব অভাব। সবায় নিজের নিজের ধর্ম্ম প্রচারে ব্যস্ত, সেই ধর্ম্ম কতটা বৈজ্ঞানিক, কতটা যুক্তিসম্মত ও কতটা মানবিক তা বিচার করে দেখার সাহস কারো নেই। আমরা যে ধর্ম্ম মানব সমাজে প্রচার করছি তা মানুষকে আসুরিক বা শয়তানী বুদ্ধি থেকে মুক্ত করে দেবত্বের জ্ঞান- বুদ্ধির জগতে নিয়ে যাচ্ছে কিনা তা বিচার করে কেনো আমরা দেখছি না? জড়- বস্তুবাদ বর্ত্তমান যুগের বৈশিষ্ট্য। তাই ধর্ম্মীয় জীবনেও ভোগসর্ব্বস্ব এই দানবীয় নিরীশ্বরবাদ প্রবলরূপে দেখা দিয়েছে। শিক্ষা, সমাজ ও রাষ্ট্র হতে ধর্ম্ম নির্ব্বাসন লাভ করেছে। ঈশ্বর না মানার একটা সচেতন প্রয়াস এই যুগের লক্ষণীয় বিষয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রকৃতির যে সকল রহস্য উদঘাটন করেছে, তাতে এই ভাব ব্যাপক প্রসারলাভ করছে। ঈশ্বর ও ধর্ম্মকে বাদ দিয়ে কোন কোন রাষ্ট্র প্রভূত উন্নতি করেছে বলে শোনা যাচ্ছে। নিরীশ্বরবাদীগণের পক্ষে এটা একটি চমৎকার বিজ্ঞাপন। বিশ্বমানবের দেশ এই ভারতবর্ষ, আধ্যাত্মিক ভাবধারায় পুষ্ট, যুগ যুগ ধরে বিশ্ববাসীকেও মানব জাতিকে আধ্যাত্মিক ভাবধারায় পুষ্ট করে এসেছেন। বর্ত্তমান ভারতবর্ষে দৈব সম্পদে ভরপুর মুনি – ঋষির অভাব নেই। হিমালয় থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত লাখ লাখ দৈব সম্পদে ভরপুর মুনি- ঋষি যোগী আছেন অপেক্ষায়, কবে আহ্বান আসবে ভারতবাসীদের নিকট থেকে সেই জন্য। এখন তাঁদেরকে এই মহা আধ্যাত্মিক বিপ্লবের পথে ডাক দেবার সময় হয়ে গেছে। যদি এখনো আমরা তাঁদের সাদরে আহ্বান না করি তাহলে জড়- ভোগবাদের ধাক্কায় আর্য্যঋষিদের বিরাট আধ্যাত্মিক সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে পারে। বর্তমান যুগ- সংকটে আমাদেরকে মুনি- ঋষি – যোগীদের পদাঙ্ক ধরেই, তাঁদেরকে অনুসরণ করেই ভারতবর্ষকে বিশ্বের সেরা আসনে বসাতে হবে। তাই ভারতবাসীর কাছে আহ্বান—আসুন আমরা সকলেই বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে বেদযজ্ঞ শুরু করি এবং ভারতবাসীদের ভোগসর্ব্বস্ব আসুরিক বুদ্ধির কবল থেকে মুক্ত করে প্রকৃত বিশ্বমানবের দেশরূপে গড়ে তুলি, যার বিস্তার ছিল বিশাল। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়।

No comments:

Post a Comment