বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—৩০/ ১২/ ২০১৬ স্থানঃ—মথুরাপুর*মানিকচক*মালদা*
পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ
করেই মানব হৃদয়ে যে অনাহত চক্র আছে সেখানে ধ্যান করে আত্মদর্শন করতে হয়।]
মানব হৃদয়ে অনাহত
চক্রের অবস্থান সিঁদুর বর্ণের দ্বাদশ দল পদ্ম নিয়ে। এই দ্বাদশ দলে কং, খং, গং, ঘং,
ঙং, চং, ছং, জং, ঝং, ঞং, টং, ঠং বর্ণযুক্ত পদ্ম রয়েছে। তার মধ্যে ষটকোণ ধূম্রবর্ণ
বায়ুমণ্ডল আছে, তার মধ্যে যং—কারাত্মক বায়ু বীজ দেবতা, কৃষ্ণসার মৃগারূঢ়া হয়ে
আছেন। ঐ বীজের মধ্যে হংসের ন্যায় শুভ্রবর্ণ অভয় বরদাতা ঈশান মহাদেব রয়েছেন। এই
চক্রের শক্তি কাকিনী, ইনি পীতবর্ণা আনন্দময়ী। ঐ পদ্মের কর্ণিকা মধ্যে অতি কোমল
ত্রিকোণ শক্তি আছে। ঐ শক্তির মধ্যে সুবর্ণ বর্ণের বাণলিঙ্গ মহাদেব আছেন। তাছাড়া এই
পদ্মমধ্যে আর একটি দ্বিতীয় অষ্টদল পদ্ম রয়েছে, তাতে এক কল্পতরু আছে, তার তলায়
মণিপীঠে হংসরূপী জীবাত্মা আছেন। সাধক বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে এই স্থানে গুরু উপদিষ্ট
ইষ্ট দেবতাকে ধ্যান করবেন, তাহলেই আত্মদর্শন হবে। এই জ্ঞান- বিজ্ঞানযুক্ত গুহ্যরহস্যের সন্ধান একমাত্র বেদযজ্ঞকারী
সাধকরাই জানেন। জয় বেদ যজ্ঞের জয়।