Sunday, 7 October 2018

কুরআন সুরা--৭ আ'রাফ-- ১৬ থেকে ২০ আয়াত

   বিশ্বমানব শিক্ষায় পবিত্র কুরআনের আলো। [ সুরা—৭ আ’রাফ—১৬ থেকে ২০ আয়াত।]
  ১৬) সে বলল, যাদেরকে উপলক্ষ্য করে তুমি আমার সর্বনাশ করলে, সেজন্য আমিও তোমার সরল পথে মানুষের জন্য নিশ্চয় ওঁত পেতে থাকব;
    মর্মার্থঃ—আল্লাহ্‌ যে মানব জাতিকে ফিরিশতাদের থেকেও পবিত্র করে গড়ে তুলেছিলেন, তাদেরকে অপবিত্র করার দায়িত্ব শয়তান নিজের কাঁধে তুলে নিলো।
   ১৭) অতঃপর আমি তাদের সম্মুখ, পশ্চাৎ, দক্ষিণ ও বাম দিক হতে তাদের নিকট আসবই এবং তুমি অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবে না।
     মর্মার্থঃ—শয়তান এমনভাবে মানুষের সাথে থাকার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করল যে আল্লাহ্‌ মানুষের মধ্যে অধিকাংশকে আর কৃতজ্ঞ ও সত্যজ্ঞানী রূপে পাবেন না
১৮) তিনি বললেন, এ স্থান হতে বিকৃত ও বিতাড়িত অবস্থায় বের হয়ে যাও, মানুষের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করবে নিশ্চয় আমি তাদের সকলের দ্বারা জাহান্নাম (নরক) পূর্ণ করবই।
       মর্মার্থঃ—মানুষের মধ্যে যারাই শয়তানের অনুগামী হবে তাদেরকেই দিয়েই জাহান্নাম পূর্ণ করা হবে এই আশ্বাস আল্লাহ্‌ ইবলিসকে দিলেন।
     ১৯) ( এবং বললাম) হে আদম! তুমি ও তোমার সঙ্গিনী জান্নাতে বসবাস কর এবং যথা ও যেথা ইচ্ছা আহার কর, কিন্তু এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না, হলে তোমরা অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
   মর্মার্থঃ—আল্লাহ্‌ আদম ও তার সঙ্গিনীকে জান্নাতে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন এবং সেই সাথে পরীক্ষা করার জন্য কামনা- বাসনা গাছের ফল খেতে নিষেধ করলেন।
      ২০) অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান, যা গোপন রাখা হয়েছিল তা প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদের কুমন্ত্রণা দিল, এবং বলল, পাছে তোমরা উভয়ে ফিরিশতা হয়ে যাও কিংবা তোমরা স্থায়ী হও, এ জন্যই তোমাদের প্রতিপালক এ বৃক্ষ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
  মর্মার্থঃ—কিন্তু তারা শয়তানের বুদ্ধিতে প্ররোচিত হয়ে নিজের লাজ লজ্জা বিবেক বর্জিত হয়ে লোভী হয়ে উঠে এবং কামনা- বাসনা বৃক্ষের ফল খেয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে এবং শয়তান ইবলিসের জয় হয়।
   জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও পবিত্র কুরআনের আলোর জয়।  

No comments:

Post a Comment