বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(২১১) তারিখঃ—২৫/ ০২/ ২০১৮
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[
বেদ যজ্ঞ করে জেনে নাও দ্রব্য বা বস্তু দান অপেক্ষা সৎ উপদেশ দান সর্বাংশে শ্রেষ্ঠ
দান।]
বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে তোমরা ব্রহ্মার আসনে বসে দেবতাদের সৎ উপদেশ দান করে
যাও। তোমাদের কাছে সব মানুষ দেবতা। তাদের সবার দেবত্ব শক্তির জাগরণ ঘটবে তোমাদের বেদ যজ্ঞের
শক্তি বলে সৎ উপদেশ পেয়ে। যারা মানুষকে দেবতাজ্ঞানে পূজা করতে জানে না, তারা তার
অধীনের মানুষকে দেবতা না ভেবে দাস ভাবে। দাসকে কেউ সৎ উপদেশ দিতে চায় না কারণ তারা
সুযোগ পেলেই প্রভুর মাথায় চেপে বসার সুযোগ খুঁজে। ভারতের মাটিতে এখন হাজার হাজার
ব্রহ্মার দরকার, যারা মানুষকে সৎ উপদেশ দিয়ে তাদের চিত্তে শান্তি পুনঃ প্রতিষ্ঠিত
করে দেবতার আসনে বসাবে এবং জগতবাসীকে সবদিক থেকে নির্ভয় চিত্ত করে তুলবে। বর্তমানে
ভারতের মাটিতে দ্রব্যযজ্ঞ বা বস্তুযজ্ঞের দ্বারা মানুষকে এমন লোভী ও আসক্তপ্রবণ
মানুষ গড়ে তোলা হয়েছে যে তারা সত্য- মিথ্যার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। একমাত্র ব্রহ্মা
ছাড়া কেউ মানুষকে সৎ উপদেশ দান করে দেবতার আসনে বসিয়ে সত্যলোকে নিয়ে যেতে পারেন
না। এখানে সত্যযুগের সৃষ্টি করেই মানুষকে সত্যলোকে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা মানুষকেই
করতে হয় ব্রহ্মার আসনে বসে। তাই সৎ উপদেশদাতা গুরুই হচ্ছেন মানুষের ব্রহ্মা-
বিষ্ণু – মহেশ্বর। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদ যজ্ঞের জয়।

No comments:
Post a Comment