Wednesday, 21 February 2018

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(২০৭) তারিখঃ-- ২১/ ০২/ ২০১৮

  বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়(২০৭) তারিখঃ—২১/ ০২/ ২০১৮
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ করে সত্ত্বগুণের বৃদ্ধি যত ঘটাবে ততই রজোগুণ ও তমোগুণের বিনাশ ঘটবে।]
সত্ত্ব, রজ ও তম—এই তিন গুণ হচ্ছে জীবের বুদ্ধির( প্রকৃতির) গুণ, এসব গুণ আত্মার নয়। সত্ত্বের দ্বারা রজ এবং তম—এই দুই গুণের উপর জয়লাভ করতে হয় বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে। সত্ত্বগুণের শান্ত বৃত্তির দ্বারা সমস্ত প্রকার বৃত্তিকে শান্ত করে নিয়ে কল্যাণকর পথে এগিয়ে যাওয়ায় সর্বশ্রেষ্ঠ পথ। যখন মানুষ বা জীবের সত্ত্বগুণের বৃদ্ধি হয় তখন জীব ভক্তিরূপ নৌকাতে বিচরণ করে স্বধর্ম পালনে সক্ষম হয়। নিরন্তর সাত্ত্বিক বস্তুসকলের সেবন করলে সাত্ত্বিকগুণের বৃদ্ধি হয়; এবং এই অবস্থায় জীবের ভগবান শ্রীকৃষ্ণে ভক্তিরূপ স্বধর্মতে প্রবৃত্তি বৃদ্ধি হতেই থাকে। যে ধর্ম পালনে সত্ত্বগুণের বৃদ্ধি হয় সেটাই সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। সেই ধর্ম রজোগুণ এবং তমোগুণকে বিনাশ করতে থাকে। যখন এই দুটি বিনষ্ট হয় তখন তাদের প্রভাবে সম্পাদিত অধর্মও অচিরেই শেষ হয়ে যায়। শাস্ত্র, জল, প্রজা অথবা উত্তরাধিকারী, দেশ, সময়, কর্ম, জন্ম, ধ্যান, মন্ত্র এবং সংস্কার—এই দশটি যদি সাত্ত্বিক হয় তাহলে সত্ত্বগুণের, রাজসিক হলে রজোগুণের এবং তামসিক হলে তমোগুণের বিস্তার করবে। এই বস্তুসকলের মধ্যে শাস্ত্রজ্ঞ মহাপুরুষগণ যাদের প্রশংসা করেন সেগুলি সাত্ত্বিক, যেগুলির নিন্দা করেন সেগুলি তামসিক এবং যেগুলির উপেক্ষা করেন সেগুলি রাজসিক। জয় বেদ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জয়। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়।

No comments:

Post a Comment