Sunday, 3 June 2018

কুরআন সুরা মা-য়িদাহ আয়াত ৩৩

[বিশ্বমানব শিক্ষা অভিযানে পবিত্র কুরআন পাঠ করুন এবং নিজের জ্ঞান- বুদ্ধি- বিবেক দিয়ে বিচার করুন ও মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান করে এক সত্যে স্থির থাকুন।]
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কাজ করে তাদের শাস্তি এই যে, তাদের হত্যা করা হবে অথবা ক্রুশ বিদ্ধ করা হবে অথবা বিপরীত দিক হতে তাদের হাত ও পা কেটে ফেলা হবে অথবা তাদেরকে দেশ হতে নির্বাসিত করা হবে। পৃথিবীতে এটাই তাদের লাঞ্ছনা ও পরকালে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।[ সুরা মা- য়িদাহ আয়াত—৩৩]
এই আয়াতে স্পষ্ট বুঝতে পারা যাচ্ছে একজন বিশ্বনবী অর্থাৎ বিশ্বমানবের পথপ্রদর্শক আল্লাহর নাম করে এমন বাণী প্রচার করতে পারেন না। যিনি এই বাণীর প্রচারক তিনি আল্লাহ নামে এক কাল্পনিক চরিত্র সৃষ্টি করে তৎকালীন মূর্খ মানুষকে বিভ্রান্তির পথে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে এবং তাঁকেই সকলে রসূল বলে মান্যতা দেয়। যিনি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু তিনি কিভাবে বিপরীত চরিত্রের হতে পারেন? তিনি নিজে শাস্তি দিবেন প্রকৃতির নিয়মে তাকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে, তিনি কখনো কোন মানুষকে শাস্তি প্রদান করার দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন না। অতএব এই আয়াতে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে রসূল সাজার জন্যে, বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ আল্লাহ নামে এক কাল্পনিক চরিত্রের সৃষ্টি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং তাঁর ভক্তদেরকে নিরীহ মানুষকে খুন করতে শিক্ষা দিয়েছেন নিজ স্বার্থে সম্পূর্ণ মানবিকতাকে বিসর্জন দিয়ে। ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কেউ যুদ্ধ করেন না, মানুষ যুদ্ধ করেন অন্যায়কারী ও কদাচারীদের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত থাকেন না, ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত থাকেন নিজের নাম- যশ- প্রভাব প্রতিষ্ঠার লড়াই করেন যারা। তাই আয়াত কিভাবে ঈমানদার মানুষ তৈরি করতে উৎসাহ দিতে পারে? আই –এস-আই কেনো তৈরি হচ্ছে ইসলামিক সমাজে—এর জন্যে কি কুরআনের এই রূপ শিক্ষা দায়ী নয়? আসুন সকলে এগিয়ে আমরা সত্যকে সুন্দর রূপ দিয়ে ফুটিয়ে তুলি মিথ্যাকে চিরতরের জন্যে বাতিল করে। জয় বিশ্বমানব শিক্ষার জয়।

No comments:

Post a Comment