বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(২৯৯) তারিখঃ—০১/
০৬/ ২০১৮ আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ--[ রামভক্ত ভক্তদের ভারতবর্ষ ‘রামরাজত্ব’ রূপে গড়ে
তোলার স্বপ্ন একদিন সত্য হবেই, সেই কাজই শুরু হয়েছে ভারতবর্ষের হিমালয় থেকে
কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত বেদযজ্ঞের মাধ্যমে।]
রাষ্ট্র যদি ইচ্ছা
করে সমাজকে শান্তিময় করতে, তাহলে সেই উদ্দেশ্য সাধনে রামায়ণ ও গীতার ন্যায়
শক্তিশালী দেশের সংবিধানের গ্রন্থ আর
দ্বিতীয় এ পৃথিবীতে নেই। প্রাচীনকালের ভারতীয় আর্য ঋষিরা ইহা ভালভাবেই জানতেন। আর
আজও ইহা একটা বলবার মতো খবর যে, অল্পদিন পূর্বে রাশিয়ায় শ্রীরামচরিতমানস অনুদিত
হয়ে ঘরে ঘরে স্থান পাচ্ছে। শ্রীরামকে পুরুষোত্তম বলে না মানলেও রামকথা অনুশীলনে যে
পুরুষকে উত্তম করে, একথা রাশিয়ার কমিউনিস্টরাও মানে। আর মানুষ উত্তম না হলে যে
রাষ্ট্র বা সমাজ উত্তম হয় না ইহা সকলেই জানে। বর্তমানে সেই প্রলয়বার্তা নিয়ে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্ব ছুটে চলেছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সুর
মিলিয়ে আমরাও বিশ্বাস করি রামভক্ত- কৃষ্ণভক্ত- শিবভক্তদের ‘ রামরাজত্ব’ ভারতবর্ষের বুকে প্রতিষ্ঠিত হতে
চলেছে। ভারতবাসী আবার রামায়ণ ও গীতার আদর করতে শিখবেই। প্রাচীন গৌরবে ভারত আবার
আমাদের প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হবেই আমরা হিন্দু হয়ে যতই চেষ্টা করি না
কেনো আবার বিদেশী- বিধর্মীদের হাতে এই দেশের শাসন ভার দিয়ে দিবো তা দেশের ১০০ কোটি
হিন্দু রাম- কৃষ্ণ – শিব ভক্ত হয়ে মেনে নিবেন না। আজকে ভোট নেওয়ার জন্যে হিজাব পড়ে
হিন্দু মেয়েদেরকে নিজের ধর্ম ত্যাগ করে পরের ধর্ম গ্রহণ করার উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে,
এ- যে ভারতবাসীর ক্ষেত্রে কত বড় লজ্জার বিষয়, যাদের একটু জ্ঞান- বুদ্ধি আছে ভেবে
দেখুন। তবে চিন্তা করার কিছু নেই—এটাই হচ্ছে রাম রাজত্ব গড়ে তোলার জন্য উৎসাহ
দানের এক শক্তিশালী প্রক্রিয়া। জয় শ্রীরাম। ভারত মাতার জয়।



No comments:
Post a Comment