বিশ্বমানব
শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(১৭৯) তারিখঃ—২৪/ ০১/ ২০১৮
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদযজ্ঞ করার জন্যে
সংসার ত্যাগ করে আশ্রম- মঠ – মন্দিরে গিয়ে তপস্যা করার কোন প্রয়োজন হয় না, কেবল সৎ
পথে উপার্জিত অন্নে জীবন যাপন করে সকলের মঙ্গল কামনা করে জীবন- যাপন করলেই
বেদভগবানের কৃপালাভ করা যায়।]
আজকের
দিনে প্রাচীন কালের মত বন জঙ্গলও নেই আর তখনকার মত কন্দ, ফল, মুলও পাওয়া যায় না,
যার সাহায্যে যে কোন ঋতুতে অনায়াসে দিন কাটানো যাবে। আধুনিককালে যে সমস্ত
সাধুসন্তরা বনে- জঙ্গলে- আশ্রমে- মঠে বাস করেন তাঁদের গৃহীদের দেওয়া অর্থ- সম্পদ ও
অন্নের উপরই নির্ভর করে থাকতে হয়। আজকালকার অধিকাংশ মানুষের উপার্জনও সম্পূর্ণ
শুদ্ধ নয়। অনৈতিক পথে উপার্জিত অন্নগ্রহণ বা ধন- সম্পদ গ্রহণ করলে কোন মানুষই তার
প্রবৃত্তিকে সংযত রাখতে পারে না। আজকাল অধিকাংশ ভিক্ষাজীবি ও দানগ্রহণকারী সাধু-
সন্ন্যাসীদের আলস্য- অবসাদে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়, তাঁদের সাধন ভজনে মন বসে না, মন
বিপথে প্রবৃত্ত হতে দেখা যায়। এর একমাত্র কারণ—যে দানের অন্নের মাধ্যমে তাঁদের
শরীরে রক্ত ও মন তৈরী হচ্ছে তাও সাত্বিক নয়। অন্যায়পথে উপার্জন হলেই যত বিপত্তি।
এই রোগ মহামারী আকারে সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ও মনোরোগী হয়ে উঠতেই থাকে। ভবরোগে
একবার আক্রান্ত হয়ে পড়লে সে যত বড়ই মহান সাধু- সন্ত- গৃহী হৌক না কেনো তাঁকে
রোগমুক্ত করে তোলার ঔষধ পাওয়া দুষ্কর। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়।

No comments:
Post a Comment