Tuesday, 28 November 2017

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান ১২২ তাং ২৮/ ১১/ ২০১৭

বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ অভিযান(১২২) তারিখঃ—২৮/ ১১/ ২০১৭
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদযজ্ঞ করে ভেদভাবের নিবৃত্তি হলে দুঃখদ্বন্দ্ব দূর হয়ে যায় এবং দুঃখ- দ্বন্দ্বরহিত পুরুষ শিবরূপ হয়ে যায়।]
বেদযজ্ঞ করে মানুষ যতক্ষণ জ্ঞান লাভ না করে, ততক্ষণ বিশ্বাস উৎপাদনের জন্য কর্ম দ্বারাই তার ভগবান শিবের আরাধনা করা উচিত। জগতে একই পরমাত্মা বহু রূপে অভিব্যক্ত হয়েছেন। একমাত্র সূর্য একস্থানে থেকেও জলাশয় ইত্যাদি বিভিন্ন বস্তুতে বহুরূপে প্রকাশিত। তাই জগতে যেসব সৎ ও অসৎ বস্তু দেখা বা শোনা যায়, সেসবই পরব্রহ্ম শিবরূপ বলে জানবে। যতক্ষণ তত্ত্বজ্ঞান না হয়, ততক্ষণ প্রতিমা পূজা করা একান্ত প্রয়োজন। জ্ঞানের অভাবে যে প্রতিমা পূজাকে অবহেলা করে, তার পতন নিশ্চিত। তাই হে জ্ঞানীজন- সুধীজন! প্রকৃত কথা শোনো, নিজ নিজ জাতির জন্য যে যে কর্মের বিধান রয়েছে, যত্নসহকারে তা পালন করা উচিত। যেখানে যেখানে ভক্তি থাকে, সেখানেই আরাধ্য দেবতার পূজা –আদি অবশ্য করা উচিত। কারণ পূজা ও দান ব্যতীত পাপ দূর হয় না।  যেমন ময়লা কাপড়ে রঙ ভালোভাবে ধরে না, তাকে ভালোভাবে ধৌত করলে তবে তাতে রঙ ভালভাবে ধরে, তেমনই দেবতাদের ভালোভাবে পূজা করলে যখন ত্রিবিধ শরীর পূর্ণভাবে নির্মল হয়ে যায়, তখনই তার ওপর জ্ঞানের রঙ ধরে এবং বিজ্ঞানের উদ্ভাবন হয়। যখন বিজ্ঞান লাভ হয়, তখন ভেদভাবের নিবৃত্তি হলে দুঃখদ্বন্দ্ব দূর হয়ে যায় এবং দুঃখ- দ্বন্দ্বরহিত পুরুষ শিবরূপ হয়ে যায়। ওঁ নমঃ শিবায়। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়।

No comments:

Post a Comment