বেদযজ্ঞ সম্মেলনঃ—২৭/ ০৬/ ২০১৭ স্থানঃ—পাটিয়া*
ভুবনেশ্বর* উড়িষ্যা*
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদযজ্ঞ করতে করতে অন্তরে অগাধ বিশ্বাস নিয়ে সাধন পথে
এগিয়ে যাবে।]
বেদযজ্ঞ করার ফলে অন্তরে জ্ঞানাগ্নি প্রজ্বলিত
হয়। জ্ঞানাগ্নি সর্ব্বকর্ম্ম ভস্মসাৎ করে। বেদযজ্ঞ করে জ্ঞান লাভের ফলে জ্ঞান-
তরণী অবলম্বনে পাপসমুদ্র পার হওয়া যায়। বেদযজ্ঞে করে জ্ঞানলাভে পরাশান্তির
প্রাপ্তি ঘটে। জ্ঞানলাভের পর আর কোন কর্ত্তব্য থাকে না--- সুতরাং “মোক্ষং প্রাপ্নোতি”। মোক্ষ—পরাশান্তি লাভ করে। যাদের অন্তরে
জ্ঞান লাভ করার জন্য সাধনের স্পৃহা জন্মে না তারা জ্ঞানভ্রষ্ট বা সাধনভ্রষ্ট বলে
কথিত। তিন শ্রেণীর লোক সাধনভ্রষ্ট হয়ে আত্মোন্নতি লাভে অক্ষম হয় (১) জ্ঞানহীন (২)
শ্রদ্ধাহীন ও (৩) সংশয়াত্মা।
এই
তিনজনের মধ্যে অজ্ঞ ব্যক্তির দুর্ভাগ্য দূর হয় জ্ঞান লাভ হলে। শ্রদ্ধাহীনের গতি হয়—কোনো
ভাগ্যে শ্রদ্ধা লাভ হলে। কিন্তু সংশয়াত্মার ভাগ্যহীনতা কোন ক্রমেই দূর হয় না। তাই
আচার্য্যেরা কহেন, অজ্ঞের মুক্তিলাভ সুসাধ্য, শ্রদ্ধাহীনের শান্তিলাভ যত্নসাধ্য,
চেষ্টার ফলে শান্তি আসতেও পারে। কিন্তু যে ব্যক্তি সংশয়াত্মা, তার জীবনের পক্ষে
শান্তিলাভ একরূপ অসাধ্য—ন সুখং সংশয়াত্মনঃ। সুতরাং অগাধ বিশ্বাস নিয়েই বেদযজ্ঞ করে
যেতে হয় সাধনপথে এগিয়ে যাবার জন্য। জয় বেদযজ্ঞের জয়।


No comments:
Post a Comment