Sunday, 9 April 2017

বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ--- ০৯/ ০৪/ ২০১৭



বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—০৯/ ০৪/ ২০১৭ স্থানঃ- ঘোরশালা* মুর্শিদাবাদ* পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ আসরে দুর্জনের কটুভাষে বিচলিত না হয়ে নিজেকে সংযত রাখতে প্রয়াসী হবে, তবেই আত্মদৃষ্টি লাভ করে সমস্ত বিপত্তি থেকে রক্ষা পাবে।]
 বেদ যজ্ঞ করে ভগবানের লীলা কথা শ্রবণের মাহাত্ম অপরিসীম। লীলা কথা প্রেম ও মুক্তি প্রদানকারী। যার অন্তরে ভগবানের লীলা কথা জানার প্রবল আগ্রহ জন্মে সেই ধন্য হয়ে যায়। ভগবানের এই লীলা কথা প্রচার করতে গিয়ে প্রেমী ও ভক্তদের জীবনে নেমে আসে বিভিন্ন দিক থেকে নানা ধরণের উৎপাত ও বিপত্তি। দুষ্টজনের কঠোর মর্মভেদী বাক্যবাণের আঘাত শরাঘাতের আঘাত থেকেও অধিক হয়ে থাকে; তার পীড়াও অধিক অনুভূত হয় বেদ যজ্ঞকারী ভক্তের। কিন্তু এই আঘাতকে ভক্ত তার পূর্বজন্মের কর্মফল জ্ঞানে সহ্য করে চলে নীরবে। এ জগতের নিয়মই হলো সাধুকে অসাধু ব্যক্তি অর্ধচন্দ্র দান করে বহিষ্করণ করে। কটুভাবে অপমান করে, উপহাস করে, নিন্দা করে, প্রহার করে, বেঁধে রাখে, থুথু নিক্ষেপ করে, প্রস্রাব করে খেতে দেয়, জীবিকা অপহরণ করে এরূপে বিভিন্ন ভাবে উত্যক্ত করে তাকে স্বনিষ্টা থেকে বিচ্যুত করবার প্রয়াস করে। তাদের এই আচরণে সাধু ব্যক্তির ক্ষুব্ধ হওয়া উচিত নয়, কারণ সে বেচারি অসাধু ব্যক্তির পরমার্থ জ্ঞানের একান্ত অভাব। অতএব যারা মুক্তি লাভে ইচ্ছুক তারা সকল অপ্রিয় পরিস্থিতি থেকে বিবেকবুদ্ধি দ্বারা নিজেকে রক্ষা করবে; বাহ্যিক উপায়ে নয়। বস্তুত বেদ যজ্ঞকারীগণের আত্মদৃষ্টিই সমস্ত বিপত্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র পথ। জয় বেদ যজ্ঞ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জয়।

No comments:

Post a Comment