বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—১৭/ ০৪/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা*
মুর্শিদাবাদ* পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ- [ বেদ যজ্ঞ করলেই মানুষ বিজ্ঞানের সাধক হয়ে যায় এবং
সত্যস্বরূপ অতি বিশুদ্ধ বিজ্ঞানকে পরম পরমেশ্বর বাসুদেবরূপে সাধক দেখতে পায়।]
বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে
সাধনা করলেই মানুষ সত্যকে জ্ঞানচক্ষু দিয়ে দেখতে পায়। জ্ঞানচক্ষুতেই ধরা পড়ে
বিজ্ঞান ব্যতীত কখনও কোথাও কোনো পদার্থ
নেই। নিজ নিজ কর্মের ভেদে ভিন্ন ভিন্ন চিত্ত দ্বারা একই বিজ্ঞান নানাভাবে সাধকের
চোখে ধরা পড়ে এবং বিভিন্ন নামে ভূষিত হয়। আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান যা অতি বিশুদ্ধ,
নির্মল এবং লোভাদি দোষরহিত তার আশ্রয়েই মানুষের দিব্য আনন্দময় সত্তা বিরাজ করে
দিব্য ঐশ্বর্যের ভাণ্ডার নিয়ে। সেই এক সত্যস্বরূপ পরম পরমেশ্বর বাসুদেবই সর্বভূতে
বিজ্ঞানের জ্যোতির্ময় আলো নিয়ে বিরাজ করছেন, যার থেকে ভিন্ন আর কিছুই নেই। এই
পরমার্থের জ্ঞানই একমাত্র সত্যবিজ্ঞান, তাছাড়া সবই অসত্য। ভগবান বিষ্ণুর যে
মূর্তরূপ জল, তার থেকে পর্বত এবং সমুদ্রাদিসহ কমলের ন্যায় আকারসম্পন্ন পৃথিবী
উৎপন্ন হয়েছে তাঁর এই সুক্ষ আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানের ধারাকে মান্য করেই। তারকা,
ত্রিভুবন, বন, পর্বত, দিগবিদিক, নদী ও সমুদ্র সবই ভগবান শ্রীবিষ্ণু এবং আরও যা সব
আছে বা নেই, সেসবও একমাত্র তিনিই। কারণ ভগবান বিষ্ণুই জ্ঞানস্বরূপ বিজ্ঞান। ওঁ নমো
ভগবতে বাসুদেবায়।।


No comments:
Post a Comment