বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞ
অভিযান(২৫৯) তারিখঃ—২১/ ০৪/ ২০১৮ আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ-- [বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে
মানুষকে শ্রমনীতি শিক্ষা দিয়ে শ্রমমুখর করে তুলতে হবে।]
পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি মানুষকে শ্রমবিমুখ করে তোলে। তখন মানুষ লোভ-মোহে পড়ে তারা বিভ্রান্তির পথ ধরে দেশের
ক্ষতি করতে সামান্যও দ্বিধা করে না। এইরূপ
শ্রমবিমুখ মানুষ থাকলে দেশের ক্ষতি হয়। তাই মানুষকে জাতীয়জ্ঞান, মানবিক মুল্যবোধের
শিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা ও আত্মিকজ্ঞানের শিক্ষা দিয়ে সৎ ও শ্রমমূখর করার প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে
হবে।
নিজের কাজ নিজে কর এই শিক্ষা সকলকে দাও,
বিশ্বমানব শিক্ষার কর্মী হয়ে তাহলেই দেশের অনেক কাজ করা হবে এবং এই শিক্ষা পেলেও মানুষ নিজেকে জানতে পারবে এবং
নিজের শ্রমের মূল্য বুঝতে পারবে। মানুষের শ্রম দ্বারাই সৃষ্টি হয়, বেঁচে থাকার যত উপকরণ।
তাই তো শ্রমের উপর নির্ভর করে দেশের আর্থিক অবস্থা।
শ্রম নীতির উন্নতি যত ঘটবে দেশে ও সংসারে, ততই
অর্থনৈতিক উন্নতি এগিয়ে যাবে এবং দেশ সমৃদ্ধিশালী হয়ে উঠবে। তাই দেশের কর্ণধারদের সজাগ হতে হবে শ্রম বন্টন
নীতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভাগ করে দেশের সব শ্রেণির মানুষকে দেশের সার্বিক
উন্নতির কাজে লাগানো। তাহলেই কম শ্রমে
বেশী ফসল আসবে সব মহলে ও অতি সহজেই বেকার
সমস্যার সমাধান হবে।
বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে মানুষের পরিশ্রম
কমেছে। হাতের কাছেই অনেক পরিষেবা দ্রুতগতিতে পাচ্ছে । সমস্ত উন্নতির মূলে মানুষের শ্রম অবশ্য কাজ করেছে।
কর্ম কৌশলের গুণে মানুষ আজ শ্রমে বেশী লাভ পাচ্ছে এই কথা সকলকেই স্বীকার করতে হবে।
পরিশ্রম করার শিক্ষার সাথে চেতনা জাগ্রত না হলে
মানুষ পরিশ্রমের ফসলের মুল্য উপলব্ধি করতে সক্ষম হয় না। মানুষের চেতনা বৃদ্ধি
পেলেই অল্প পরিশ্রমে বেশী কাজ করার দক্ষতা বেড়ে যায়। তাই শ্রমনীতির শিক্ষা যেমন প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন, তেমনি আত্মিকজ্ঞানের
শিক্ষা লাভ করে সচেতন নাগরিক হয়ে উঠার
শিক্ষাও প্রয়োজন। জয় বিশ্বমানব শিক্ষা ও বেদযজ্ঞের জয়। জয় ভারতমাতার জয়।

No comments:
Post a Comment