বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—১০/ ০২/ ২০১৭ স্থানঃ—ঘোড়শালা*
মুর্শিদাবাদ* পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ করলেই বেদ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় অন্তরে
ভক্তিদেবীর জাগরণ ঘটে তাঁর পুত্র জ্ঞান ও বৈরাগ্যকে নিয়ে।]
বেদ যজ্ঞ না করার ফলে কলিযুগে মানুষের
অন্তরে ভক্তি, জ্ঞান ও বৈরাগ্য খুব দুর্বল হয়ে গেছে। তাঁরা কিছুতেই জেগে উঠতে
পারছেন না। তাই পণ্ডিতগণ জ্ঞানযজ্ঞ বা বেদযজ্ঞকেই সৎকর্মের সূচক বলে মনে করেন। সেই
সৎকর্ম হল শ্রীমদ্ভাগবত পরায়ণ হয়ে তা প্রতিনিয়ত পাঠ করা বা শ্রবণ করা।
শ্রীমদ্ভাগবতের শব্দ কানে গেলেই ভক্তি, জ্ঞান ও বৈরাগ্যের মহাশক্তি লাভ হবে, তখন
আর কেউ বেদ যজ্ঞ থেকে বিরত হবে না। তার ফলে জ্ঞান ও বৈরাগ্যের কষ্ট দূর হবে এবং
ভক্তিমায়ের আনন্দ অন্তরে বৃদ্ধি হতে থাকবে। সিংহের গর্জন শুনলে যেমন নেকড়ে বাঘেরা
পালায়, তেমনই বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে শ্রীভাগবতের ধ্বনিতে কলিযুগের সমস্ত দোষ নষ্ট হয়ে
যায়। তখন প্রেম রস প্রবাহিনী ভক্তিদেবী তাঁর দুই ছেলে জ্ঞান ও বৈরাগ্যকে সাথে নিয়ে
প্রতিটি গৃহে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আনন্দে ক্রীড়া করতে থাকবেন। বহুজন্মের অর্জিত
পুণ্যের উদয় হলে মানুষের সৎ সঙ্গ লাভ হয়, তখন সেই মানুষ বেদ যজ্ঞ করার অধিকার লাভ
করেন এবং তখনি তাঁর অজ্ঞানজনিত মোহ ও মদ( গর্ব ) রূপ অন্ধকার নাশ হয়ে বিবেক জাগ্রত
হয়। জয় বেদ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জয়।

No comments:
Post a Comment